Golden Jubilee Ceremony & Reunion 2019 Magazine** জনাব মোঃ আমিনুর রহমান, অধ্যক্ষ, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর এর অনাপত্তি সনদ ( NOC ) ** HSC Result-2019 **০৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও মটর ড্রাইভিং কোর্স এ আগামী ০৫/০৮/২০১৯ ইং তারিখ পর্যন্ত ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ** ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ** ২০১৬ সালের মাস্টার্স পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরনের বিজ্ঞপ্তি ** ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে অনার্সে ভর্তি ফরম পূরনের বিজ্ঞপ্তি

প্রতিষ্ঠান পরিচিতিঃ

যশোর শহরের আরবপুর মোড় এ দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক ছন্দময় ক্যান্টনমেন্ট কলেজটি ১৪ একর জমির উপর অবস্থিত। সুসৃঙ্খল, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য কলেজটি অনন্য মহিমায় প্রোজ্জল। ১৯৬৯ সালের ০১ জুলাই দাউদ পাবলিক স্কুলের ক্যাম্পাসে DMLC কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৩ সালে বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। ২০১৫ সালে DMLC থেকে পৃথক হয়ে সম্পূর্ণ পাবলিক কলেজে রুপান্তরিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একাধিক সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১৫ সালে কলেজটি সম্পূর্ণ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আনা হয় যা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন। বর্তমানে কলেজটি সম্পূর্ণ পাবলিক কলেজে রূপান্তরিত হয়েছে, যার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। বর্তমানে নানামুখী অবকাঠামোগত উন্নয়ন কো-কারিকুলাম কার্যক্রম এবং উন্নত শৃংখলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনে গ্রহণ করা হয়েছে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শিক্ষার্থীদের অসামান্য ফলাফল এবং অভিভাবকদের আস্থা অর্জনই আমাদের পথ চলার প্রেরণা।

পাঠদানের মান, অর্জিত ফলাফল ও নিয়ম-শৃংখলার বিবেচনায় এ কলেজটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা শাখার পাশাপাশি ডিগ্রী (পাস) সহ ১০ টি বিষয়ে অনার্স ও ৫ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। এ সকল শাখা ও বিভাগসমূহে প্রায় ৬০০০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে।

বাংলাদেশে সেনাবাহিনী পরিচালিত ক্যান্টনমেন্ট কলেজগুলোর মধ্যে কোর্স কিংবা ছাত্রসংখ্যা সব ধরণের মানদন্ডেই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ। যশোর সেনানিবাসের দক্ষিণ পূর্ব সীমান্তে, শহরের আরবপুর রেলক্রসিং ও ডিএইওএস সংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থিত এই ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর এর অধীনে, পরিচালনা পরিষদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত তথ্য:

◙ ১৯৬৯ সালে দাউদ পাবলিক স্কুলের ক্যাম্পাসে মানবিক বিভাগ চালুর মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু।
◙ ১৯৭৭ সালে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়।
◙ ১৯৮৩ সালে দাউদ পাবলিক ক্যাম্পাস হতে বর্তমান ক্যাম্পাসে কলেজটি স্থানান্তরিত হয়।
◙ ১৯৮৫ সালে বাণিজ্য বিভাগ চালু করা হয়।
◙ ১৯৯৩ সালে বি.এ, বি.এস.এস.এবং বি. কম (পাস) কোর্স চালু করা হয়।
◙ ১৯৯৫ সালে বিএসসি (পাস) কোর্স চালু করা হয়।
◙ ১৯৯৬ সালে বাংলা, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সন্মান কোর্স চালু করা হয়।
◙ ১৯৯৯ সালে বাংলা, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু করা হয়।
◙ ২০০৫ সালে হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, সমাজকর্ম, বিবিএ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামিক স্টাডিজ ও গণিত বিষয়ে অনার্স কোর্স খোলা হয়।
◙ ২০১৪ সালে হিসাব বিজ্ঞান, সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু করা হয়।
◙ ২০১৭ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মটর ড্রাইভিং কাম মেকানিক ও কম্পিউটারে বেসিক কোর্স চালু করা হয়।
◙ বর্তমানে কলেজটিতে ২২ উচ্চ মাধ্যমিক, ১৮ ডিগ্রী (পাস), ১০টি বিষয়ে অনার্স ও ০৫ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।
বিস্তারিত


যাঁর অর্থায়নে দাউদ পাবলিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল